(ক) শুরুটা কেমন
১০) কোমরের অবস্থান
কোমর সোজা ও স্থির—পিছনে হেলে ‘বসা’ বা সামনে ভেঙে পড়া দুটোই শক্তি খায়।
দৌড়ের ইঞ্জিন হিপ। কোমর পেছনে হেলে গেলে গ্লুট বন্ধ হয়, কোমর ব্যথা বাড়ে। সামনে অতিরিক্ত ভাঙলে হাঁটুতে বোঝা যায়। হালকা সামনের ঝোঁক পুরো শরীর থেকে, কোমরের ভাঁজ থেকে নয়।
কোর মানে শুধু সিট-আপ নয়: প্ল্যাঙ্ক, সাইড প্ল্যাঙ্ক, ব্রিজ। সপ্তাহে দুই দিন ১০ মিনিট হলেই দৌড়ের শেষে ফর্ম ধরে রাখা সহজ হয়।
ফোনের বেল্ট ভারী হলে এক পাশে ঝুলে কোমর বাঁকে। মাঝখানে রাখুন। লম্বা রানে কোমরব্যান্ড ঢিলে হলে ঘষা হয়—ফিতা আগে থেকে ঠিক করুন।
দৌড়ের মাঝে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন: ‘আমি কি চেয়ারে বসছি?’ হলে গ্লুট চেপে, বুক তুলে আর দশ সেকেন্ড সচেতন পদক্ষেপ নিন।
শিক্ষামূলক পাঠ, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। বিষয়সূচি শাহানুল ইসলামের রানিং হাব অনুসরণে; পাঠ্য অফলাইন পড়ার জন্য নতুন করে লেখা।