৪) দৌড়বিদদের পায়ের রকমফের
নিউট্রাল, প্রোনেট, সুপিনেট—জুতোর ক্যাটাগরি নয়, আপনার পদক্ষেপের ধরন।
পা মাটিতে পড়ার সময় গোড়ালি ভেতরের দিকে বেশি হেলে গেলে প্রোনেশন, বাইরের দিকে হলে সুপিনেশন, মাঝামাঝি নিউট্রাল। বেশিরভাগ মানুষ হালকা প্রোনেট—এটা ত্রুটি নয়, শক অ্যাবজর্শন।
পুরনো জুতোর তলা দেখুন। ভেতরের কিনারা বেশি ক্ষয় হলে সাপোর্টযুক্ত জুতা বিবেচনা করুন; বাইরের কিনারা হলে কুশন ও চওড়া বেস কাজে দেয়। ব্যথা ছাড়া শুধু ‘ধরন’ দেখে দামি মোশন-কন্ট্রোল কেনা দরকার হয় না।
দোকানের ভিডিও গেইট অ্যানালিসিস আনুমানিক। নিশ্চিত হতে চাইলে ফিজিও বা স্পোর্টস পডায়াট্রিস্ট। বাংলাদেশে সহজলভ্য উপায়: ভেজা পায়ে কাগজে ছাপ—খিলান কম দেখা গেলে স্থিতিশীলতা বেশি দরকার হতে পারে।
ফর্ম ঠিক করতে জুতোর আগে ক্যাডেন্স ও হিপ শক্তি দেখুন। দুর্বল গ্লুটে প্রোনেশন ‘বেশি’ দেখায়। জুতা সাহায্য করে, কিন্তু দুর্বলতা ঢাকে না।
শিক্ষামূলক পাঠ, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। বিষয়সূচি শাহানুল ইসলামের রানিং হাব অনুসরণে; পাঠ্য অফলাইন পড়ার জন্য নতুন করে লেখা।